পর্তুগালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শামসুল ইসলাম ওরফে কামরান নামের পঁচিশ বছর বয়সী এক বাংলাদেশী যুবক মারা গেছেন। গত শনিবার রাতে দেশটির সেতুবাল আলমেদা এলাকায় কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে তিনি এই দুর্ঘটনার শিকার হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত শামসুল ইসলাম সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের খাগদিওর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শামসুল ইসলাম মাত্র চার মাস আগে বাংলাদেশে এসেছিলেন। দেশে এসে বিয়ে করার পর তিনি তিন মাস আগে পর্তুগালে তাঁর কর্মস্থলে ফিরে যান। কর্মক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস টি এম ফখর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, শামসুলের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবারে চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্তমানে নিহতের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসে সিলেট অঞ্চলের বেশ কয়েকজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত ২১ জুন কাতারে এক সড়ক দুর্ঘটনায় কানাইঘাট উপজেলার পাঁচজন প্রবাসী মারা যান। নিহতরা হলেন মাঝতালুক গ্রামের মোস্তাক আহমদ ও জুবায়ের আহমদ, গাছবাড়ি নয়াগ্রামের কাদির আহমদ, আগতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমদ। এছাড়া গত ৩ জুলাই সৌদি আরবের জেদ্দায় গাড়ি চালানো শেখার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক আহমদ নামের কানাইঘাটের আরও এক প্রবাসী যুবক প্রাণ হারান।