জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরিন ইসলাম খানকে দেশের প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার (সিআইসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক বক্তব্য লেখক এস এ এম মাহফুজুর রহমান এবং দৈনিক দিনকালের সহকারী সম্পাদক খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. নাসরিন ইসলাম খান জানিয়েছেন, রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে জনগণের তথ্য জানার অধিকার সুরক্ষায় কমিশন সর্বোচ্চ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য করাই হবে কমিশনের মূল অগ্রাধিকার। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ও কমিশনারদের পদমর্যাদা, সম্মানি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীর শীর্ষ নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় পর্যন্ত তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হলে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও রাষ্ট্রীয় সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
হাইলাইটস:
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসরিন ইসলাম খান দেশের প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার নিযুক্ত。
- তথ্য কমিশনের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এস এ এম মাহফুজুর রহমান ও খান মোহাম্মদ আবুল হোসেন。
- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নাগরিকদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।