রিয়াল মাদ্রিদ ৪ : ১ লাইপজিগ তিন দিন পর লিগে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচ। মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় পুরো মনোযোগ দেওয়ার আগে আজ ছিল রিয়াল মাদ্রিদের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতির সুযোগ।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে সেই প্রস্তুতিটা বড় জয়ে সেরেছে জোসে মরিনিওর দল। বুন্দেসলিগার ক্লাব লাইপজিগের বিপক্ষে রিয়াল জিতেছে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে। গোল করেছেন বের্নার্দো সিলভা, আরদা গুলের, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ইয়ান দিওমান্দে।
রিয়ালের চার গোলই এসেছে ম্যাচের প্রথম চল্লিশ মিনিটের পর। শুরু থেকে দুই দলই খেলেছে উত্তাপহীন ফুটবল। ম্যাচের প্রথম গোল আসে ৪৩ মিনিটে।
গুলেরের শট থেকে ফিরতি বলে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বের্নার্দো সিলভা। রিয়ালের জার্সিতে এটি পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের প্রথম গোল।
বিরতির পর ৫২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গুলের। জুড বেলিংহামের ক্রস থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের হেডে বল পেয়ে কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তুরস্কের এই তরুণ।
এরপর ৮৩ মিনিটে গোলদাতার খাতায় নাম লেখান এমবাপ্পে নিজেই। ইয়ান দিওমান্দের পাস থেকে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে এটি তাঁর ১২ ম্যাচে ১২তম গোল।
৩-০ গোলে পিছিয়ে যাওয়ার দুই মিনিট পর লাইপজিগের হয়ে একটি গোল শোধ করেন বদলি খেলোয়াড় তিদিয়াম গোমিস। তবে ৮৭ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে রিয়ালের বড় জয় নিশ্চিত করেন দিওমান্দে।
গোলের ব্যবধান বড় হলেও প্রথমার্ধে রিয়ালকে বেশ কয়েকবার পরীক্ষায় ফেলেছিল লাইপজিগ। ২৮ মিনিটে থিবো কোর্তোয়া দেয়াল হয়ে না দাঁড়ালে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন রোমুলো। ৪১ মিনিটে ক্রিস্টোফার এনকুনকুর কাছ থেকেও রিয়ালকে দারুণভাবে দলকে রক্ষা করেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক। বিরতির আগে অবশ্য লাইপজিগ গোলকিপারও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি শটও ঠেকিয়ে দেন।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা তিন ম্যাচ জিতল রিয়াল। অন্যদিকে দুই ম্যাচে ১০ গোল হজম করে পয়েন্ট তালিকার ২৯তম স্থানে নেমে গেছে লাইপজিগ।
তথ্যসূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
হাইলাইটস:
- রিয়াল মাদ্রিদ ৪ : ১ লাইপজিগ তিন দিন পর লিগে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচ।
- সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে সেই প্রস্তুতিটা বড় জয়ে সেরেছে জোসে মরিনিওর দল।
- রিয়ালের চার গোলই এসেছে ম্যাচের প্রথম চল্লিশ মিনিটের পর।