Home » ১% বাজার অংশীদারিত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০ বিলিয়ন ডলারে

১% বাজার অংশীদারিত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০ বিলিয়ন ডলারে

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
১% বাজার অংশীদারিত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০ বিলিয়ন ডলারে

গত ১৪ অক্টোবর রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআই) অডিটোরিয়ামে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআই) এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘যুক্তরাজ্যে রপ্তানি: আরএমজি-র বাইরেও সুযোগ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এই সুযোগটি তুলে ধরা হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

কর্মশালার বক্তারা যুক্তরাজ্যের বাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনা, পণ্যের মান উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সার্টিফিকেশন সুবিধা জোরদার করা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং শুল্ক ও অশুল্ক বাধাগুলো দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ডিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ উন্নত পণ্যের মান, মানদণ্ড পরিপালন, সার্টিফিকেশন, ট্রেসেবিলিটি, ব্র্যান্ডিং এবং বাজার সম্পর্কিত তথ্যের মাধ্যমে আরএমজি-র বাইরে রপ্তানি সম্প্রসারণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদার করতে যুক্তরাজ্যের উন্নয়নশীল দেশ বাণিজ্য প্রকল্প (ডিসিটিএস)-এর কার্যকর ব্যবহার এবং বাণিজ্য বাধা অতিক্রম করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও আলোকপাত করেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর যুক্তরাজ্যের বাজারে অব্যাহত প্রবেশাধিকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পনা, সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা প্রদান করবে। তিনি বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তরাজ্যের বাজারে উপলব্ধ সুযোগগুলোর আরও বেশি সদ্ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেন। ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ যুক্তরাজ্যের বাজারের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, যেখানে রপ্তানি বৃদ্ধি, বৈচিত্র্যকরণ এবং উচ্চমূল্যের তৈরি পোশাক-বহির্ভূত পণ্যের ওপর আলোকপাত করা হয়। তিনি যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, জুতা এবং আসবাবপত্রের প্রবল চাহিদার কথা তুলে ধরেন এবং উল্লেখ করেন যে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির মাত্র প্রায় ৬ শতাংশ তৈরি পোশাক-বহির্ভূত পণ্য।

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উন্নত করার জন্য তিনি অশুল্ক বাধাগুলো দূর করা, যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক ও পণ্যের মান মেনে চলা এবং পরীক্ষা, প্রত্যয়ন ও উৎপাদন সক্ষমতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ব্রিটিশ হাই কমিশনের দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের আঞ্চলিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন উপদেষ্টা এলি পার্কার ডিসিটিএস (DCTS)-এর ওপর একটি কারিগরি অধিবেশন পরিচালনা করেন। এই অধিবেশনে প্রকল্পটির অধীনে বর্তমান এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী সময়ে বাজারে প্রবেশের সুযোগ, অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা দাবি করার বিষয়ে বাস্তবসম্মত নির্দেশনা এবং যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশ বা নিজেদের উপস্থিতি সম্প্রসারণে আগ্রহী বাংলাদেশী রপ্তানিকারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

হাইলাইটস:

  • গত ১৪ অক্টোবর রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআই) অডিটোরিয়ামে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআই) এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘যুক্তরাজ্যে রপ্তানি: আরএমজি-র বাইরেও সুযোগ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এই সুযোগটি তুলে ধরা হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
  • কর্মশালার বক্তারা যুক্তরাজ্যের বাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনা, পণ্যের মান উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সার্টিফিকেশন সুবিধা জোরদার করা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং শুল্ক ও অশুল্ক বাধাগুলো দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
  • ১% বাজার অংশীদারিত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০ বিলিয়ন ডলারে সংক্রান্ত বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন