“দিনে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ বার ক্যাশ অন ডেলিভারি পার্সেল পাচ্ছি। বাড়িওয়ালা, প্রতিবেশী- সবাই ক্ষুব্ধ। এখন আমাদের ঘর ছাড়তে হবে। দয়া করে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে প্রকাশ করবেন না,” কথাগুলো বলছিলেন সুমঙ্গলী ভীরামণি।
তিনি দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শান্মুগানাথন ভীরামণির স্ত্রী।
মাদুরাইয়ের এই ইনফ্লুয়েন্সার গত কয়েকদিন ধরে 'অ্যামাজন', 'সুইগি' এবং অন্যান্য অনলাইন অ্যাপ মারফত একের পর এক পার্সেল পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে খাবার, টিভি, ফ্রিজ, আইফোন এমনকি ২০ কেজি বিরিয়ানিও। এইসব পার্সেলই এখন তার পরিবারের কাছে মাথাব্যাথার কারণ হয়ে গিয়েছে। কারণ এই সব কিছুই 'ক্যাশ অন ডেলিভারি' (সিওডি) পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। অর্থাৎ এই জিনিসগুলো নিতে হলে দাম দিতে হবে ভীরামণি পরিবারকে। আর পার্সেলে থাকা জিনিসের ধার্য দাম না দিতে পারলে সেই পার্সেল ফেরত পাঠাতে হবে তাদের। কেউ একজন এই ইনফ্লুইয়েন্সারের নাম-ফোন নম্বর কিডনি দান করার জন্যও তালিকাভুক্ত করে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও শেয়ার করে কাউকে কিছু না পাঠাতে অনুরোধ করেছেন মি. ভীরামণি। “ডেলিভারির জন্য সব সময়ে কেউ না কেউ কলিং বেল বাজাচ্ছে। এখন দরজা খুলতে ভয় পাচ্ছি। এমনকি তাদের (পার্সেল ডেলিভারি দিতে আসেন যারা) যদি বলি যে কিছু অর্ডার দেওয়া হয়নি, তাহলেও অনেক কিছুই শুনতে চান না।”
“এই কারণে আমার স্বামী শহর ছেড়েছেন। আমাদের আয়ের উপরেও এর প্রভাব পড়েছে,” বলেছিলেন সুমঙ্গলী ভীরামণি। সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা বাড়ির ঠিকানা এবং ফোন নম্বরের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। ইনস্টাগ্রামে সংশ্লিষ্ট সূত্র ফলো করতে ক্লিক/ট্যাপ করুন এখানে
হাইলাইটস:
- “দিনে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ বার ক্যাশ অন ডেলিভারি পার্সেল পাচ্ছি।
- তিনি দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শান্মুগানাথন ভীরামণির স্ত্রী।
- মাদুরাইয়ের এই ইনফ্লুয়েন্সার গত কয়েকদিন ধরে 'অ্যামাজন', 'সুইগি' এবং অন্যান্য অনলাইন অ্যাপ মারফত একের পর এক পার্সেল পাচ্ছেন।
তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ