বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে আধুনিক তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অভাবনীয় প্রসারকে সম্মান জানিয়ে এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)। আগামী অলিম্পিক আসর থেকেই শারীরিক ক্রীড়াশৈলীর পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের প্রথম ‘অলিম্পিক ই-স্পোর্টস গেমস’ আয়োজনের পূর্ণ অনুমোদন দিয়েছে আইওসি সাধারণ পরিষদ।
আইওসি সভাপতি জানিয়েছেন, নতুন এই গেমসে শুধু ভার্চুয়াল সিমুলেশন নয়, বরং শারীরিক ফিটনেস এবং মেধা ও তীব্র রিফ্লেক্সের সমন্বয়ে গঠিত রেসিং, স্মার্ট রোয়িং, শুটিং এবং কৌশলগত দলগত গেমগুলোকে স্থান দেওয়া হবে। বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে বাছাইকৃত শীর্ষ জাতীয় দলের ভার্চুয়াল অ্যাথলেটরা এই আসরে মর্যাদাপূর্ণ অলিম্পিক পদকের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি তরুণ ক্রীড়াপ্রেমী ও ডিজিটাল গেমারদের মাঝে এই সিদ্ধান্ত বিপুল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অলিম্পিক আন্দোলনের ১৩০ বছরের ইতিহাসে ঐতিহ্যবাহী শারীরিক খেলা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির এই যুগলবন্দী ক্রীড়াঙ্গনের সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
হাইলাইটস:
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল বিশ্ব ই-স্পোর্টস গেমস।
- শারীরিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত নতুন প্রজন্মের অলিম্পিক আসর।
- ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়ার পাশাপাশি এবার পদকের লড়াইয়ে নামবেন ভার্চুয়াল অ্যাথলেটরা।