Home » সাজেকে গোলাগুলির পর সবশেষ পরিস্থিতি কী?

সাজেকে গোলাগুলির পর সবশেষ পরিস্থিতি কী?

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
সাজেকে গোলাগুলির পর সবশেষ পরিস্থিতি কী?

Article Information Author, মরিয়ম সুলতানা Role, সংশ্লিষ্ট সূত্র নিউজ বাংলা Published ৬ ঘন্টা আগে পড়ার সময়: ৫ মিনিট বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাজেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরুর প্রথম দিনেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা নিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ও আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাঘাইছড়ির গঙারাম এলাকার উজোবাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

অবরোধের কারণে সাজেকে প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিরাপত্তায় তাদের খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা হয় বলে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে আইএসপিআর।

তবে রাঙামাটির পুলিশ সুপারের তথ্য অনুযায়ী, অবরোধকারীদের ইটপাটকেলের আঘাতে সেনাবাহিনীর চারজন এবং পুলিশের দুইজন সদস্য আহত হয়েছেন।

এদিকে, ইউপিডিএফ বলছে, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনার “বিন্দুমাত্র প্রমাণ মেলেনি”।

অন্যদিকে, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এবার শনিবার আধাবেলা সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছে 'ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ' নামের আরেকটি সংগঠন।

১২ অক্টোবর ২০২৬ খাগড়াছড়ি ও সাজেক পর্যটক শূন্য, পুজার ছুটির সব বুকিং বাতিল ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশের রাঙ্গামাটিতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত ২৩ অগাস্ট ২০১৯ End of সম্পর্কিত খবর:

পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি বা জেএসএসের সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন অংশকে সাজেক থেকে সরিয়ে দেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টা থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধের ডাক দেয় সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি এবং কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন নামের দু'টো স্থানীয় সংগঠন।

বুধবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ সিদ্ধান্ত জানায়।

তারা সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলেছিল, “বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির অনুরোধে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত শুক্রবার থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। দাবি পূরণ না হওয়ায় পূজা শেষে আগামীকাল থেকে আবারও রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আজকের মধ্যেই পর্যটকদের সাজেক ত্যাগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

সংগঠন দু'টির ডাকা অবরোধের পর পর্যটকদের জন্য সাজেক বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় জেলা প্রশাসন।

এরপর বুধবার সন্ধ্যায় এক গণবিজ্ঞপ্তিতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে এবং বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার মধ্যে সবাইকে সাজেক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাতে।

স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে আজ সকাল থেকে সাজেক ছাড়ছিলেন পর্যটকরা, তবে সাজেক থেকে বের হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই তারা অবরোধকারীদের সামনে পড়েন।

এদিন সকাল থেকেই সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়ি পুড়িয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন অবরোধকারীরা এবং তারা যান চলাচলে বাধা দেন।

তথ্যসূত্র: পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা

হাইলাইটস:

  • Article Information Author, মরিয়ম সুলতানা Role, সংশ্লিষ্ট সূত্র নিউজ বাংলা Published ৬ ঘন্টা আগে পড়ার সময়: ৫ মিনিট বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাজেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরুর প্রথম দিনেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
  • আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাঘাইছড়ির গঙারাম এলাকার উজোবাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
  • অবরোধের কারণে সাজেকে প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিরাপত্তায় তাদের খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা হয় বলে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে আইএসপিআর।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন