মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ, রাখাইন রাজ্যের তীব্র মানবিক বিপর্যয় এবং আঞ্চলিক সীমান্ত নিরাপত্তা সংকট নিরসনের লক্ষ্যে দেশটির সামরিক জান্তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বিশেষ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কূটনীতিকরা। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতায় এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদল মিয়ানমার জুড়ে সাধারণ নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা বন্ধ, অবাধ মানবিক ত্রাণ সহায়তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশের ওপর রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী চাপ এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা রোধে জান্তা বাহিনীকে অর্থপূর্ণ সংলাপের পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জান্তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ওয়াশিংটনের এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষ যোগাযোগ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মাদক ও মানবপাচার চক্র প্রতিরোধে এই আলোচনা ভবিষ্যতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
হাইলাইটস:
- মিয়ানমার সংঘাত ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জান্তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকদের বৈঠক।
- বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা বন্ধ ও রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান।
- ব্যাংককে আয়োজিত আলোচনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত।