Home » কুমিল্লার শশীদল সীমান্তে মাদক অভিযানে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক ২ পুলিশ সদস্য

কুমিল্লার শশীদল সীমান্তে মাদক অভিযানে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক ২ পুলিশ সদস্য

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
কুমিল্লার শশীদল সীমান্তে মাদক অভিযানে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক ২ পুলিশ সদস্য

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্তে রাতের আঁধারে মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে এক চোরাকারবারিকে ধাওয়া করার সময় অসতর্কতাবশত ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়ায় বাংলাদেশ পুলিশের দুই সদস্যকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আটক দুই পুলিশ সদস্য সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছেন এবং তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ চলছে।

২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে যেভাবে ঘটে ঘটনাটি

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, আটক দুই পুলিশ সদস্য হলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন এবং কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। রাত সাড়ে দশটার দিকে শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় ২০৫৯ নম্বর মেইন পিলারের কাছে তারা মাদক উদ্ধার অভিযানে যান।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি সীমান্তের ওপারে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান তাকে ধাওয়া করতে গিয়ে ভারতের সীমানার ভেতরে ঢুকে পড়লে স্থানীয় কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক তাকে ঘিরে ফেলে। সহকর্মীকে উদ্ধার করতে এএসআই ইমরান হোসেন এগিয়ে গেলে তাকেও আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ সদস্যদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি সদর দপ্তরের পদক্ষেপ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মোর্শেদ রহমান ঢাকায় এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, পাহাড়, জঙ্গল ও অসমতল সীমান্ত এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

ঘটনার পরপরই বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের সাথে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। দুই পুলিশ সদস্যই সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন এবং সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

হাইলাইটস:

  • কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারের কাছে মাদক চোরাকারবারিকে ধাওয়া।
  • ব্রাহ্মণপাড়া থানার এএসআই ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান বিএসএফের হেফাজতে।
  • দুই পুলিশ সদস্যই অক্ষত আছেন এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি-বিএসএফ আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ。

তথ্যসূত্র: পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন