Article Information Author, আবুল কালাম আজাদ Role, সংশ্লিষ্ট সূত্র নিউজ বাংলা Published ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১ +০৬ পড়ার সময়: ৬ মিনিট কক্সবাজারে সাগর সৈকতে বেড়াতে গিয়ে গত এক সপ্তাহে অগ্নিকাণ্ড এবং পানিতে ডুবে অন্তত ১৪ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন।
এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতি ছিল মেরিন ড্রাইভের পাশে পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড।
সেখানে আগুনে নারী ও শিশুসহ দশজন পর্যটকের মৃত্যুর পর কক্সবাজার ভ্রমণে নিরাপত্তার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে। এ ঘটনাকে সামনে এনে কক্সবাজারে পর্যটনে নানা রকম সংকট সমস্যা তুলে ধরে সমালোচনা করছেন অনেকে।
রিসোর্টে আগুনের ঘটনাটির পর কক্সবাজার বেড়াতে যান শিক্ষার্থী শ্রাবণী ইসলাম। জীবনে প্রথম কক্সবাজারে এসেছেন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র তিনি বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য তাকে মুগ্ধ করেছে, সাগরে সূর্যাস্ত-সৈকত-মানুষের ভিড় সবই তার কাছে নতুন। তবে এই ভ্রমণে তার মধ্যে ভয়ও কাজ করেছে।
“রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এরকম ভয় হয়েছিল। যে হোটেলে উঠেছি সেখানে নিচে রেস্ট্রুরেন্ট থাকতে পারে, আগুন লাগে কি না- এমন ভয় লেগেছিল। বাসা থেকে বলে দিয়েছে পানিতে নামা যাবে না। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কোনো রাইডে ওঠা যাবে না।”
সপরিবারে বেড়াতে আসা আইরিন আক্তার ও হাবিবুর রহমান দম্পতি জানান, কক্সবাজার ভ্রমণ তাদের পছন্দের এবং প্রতি বছর একাধিকবার তারা সাগর সৈকতে আসেন। কক্সবাজারে নিয়মিত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে এই দম্পতি মনে করেন যাতায়াত ব্যবস্থা থেকে আবাসন, খাদ্য ও সৈকতে রাইড সবখানে সেবার ঘাটতি, নিরাপত্তা ও মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে।
টুপ টুপ রিসোর্টে দুর্ঘটনার দিনে তারা ইনানিতেই ছিলেন বলেও জানান আইরিন আক্তার। তিনি বলেন, “কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল বলেই আজকে এতবড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা এগুলো প্রত্যাশা করি না। আমরা চাই আমরা নিরাপদ থাকতে।”
হাবিবুর রহমান বলেন, এ দুর্ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে মেরিন ড্রাইভে ফায়ার সার্ভিসের একটি স্টেশন থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
“ডলফিন মোড় থেকে আমরা যাই যে পাটুয়ার টেক পর্যন্ত এখানে কোনো ফায়ার স্টেশন নেই। যদি একটি স্টেশন থাকতো তাহলে হয়তে দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমতে পারতো।”
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেরিন ড্রাইভে বেড়াতে আসা অনেকেই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সেই টুপ টুপ রিসোর্টের সামনে এসে থামছেন। ক্ষয়ক্ষতি দেখে মর্মাহত সবাই।
এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকরা বলছেন, এগুলো যে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে সেটি প্রথম দেখাতেই স্পষ্ট বোঝা যায়।
পাটুয়ার টেক এলাকায় বেড়াতে আসা একজন পর্যটক বলেন, “আমার কাছে মনে হচ্ছে যে এখানে একটা রিসোর্ট ওখানে একটা রিসোর্ট যত্র তত্র গড়ে উঠছে। গভর্মেন্টের পরিকল্পনা মাফিক যদি প্রত্যেকটা রিসোর্ট থাকতো তাহলে ভালো হতো। সমন্বিত পরিকল্পনা থাকা দরকার ছিল।”
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্র সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সূত্র হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
তথ্যসূত্র: স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জেলা প্রশাসন
হাইলাইটস:
- Article Information Author, আবুল কালাম আজাদ Role, সংশ্লিষ্ট সূত্র নিউজ বাংলা Published ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১ +০৬ পড়ার সময়: ৬ মিনিট কক্সবাজারে সাগর সৈকতে বেড়াতে গিয়ে গত এক সপ্তাহে অগ্নিকাণ্ড এবং পানিতে ডুবে অন্তত ১৪ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন।
- এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতি ছিল মেরিন ড্রাইভের পাশে পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড।
- সেখানে আগুনে নারী ও শিশুসহ দশজন পর্যটকের মৃত্যুর পর কক্সবাজার ভ্রমণে নিরাপত্তার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে।