জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের রাজধানীর নন্দিপাড়া মৌজার জমি ক্রোক এবং ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের (ফ্রিজ) আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক এই যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৮২৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৫ কোটি ৯০ লাখ ১৫ হাজার ৫৯০ টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। আসামি এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন বলে তথ্য পাওয়ায় রাষ্ট্রীয় স্বার্থে তা ক্রোকের আবেদন জানানো হয়।
আদালতের নির্দেশে নন্দিপাড়া মৌজার ০.৭৯৬ শতাংশ জমি ক্রোক করা হয়েছে। পাশাপাশি দি সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বনানী শাখা এবং এনসিসি ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় থাকা তাঁর ছয়টি অ্যাকাউন্টে রক্ষিত দেশি-বিদেশি মুদ্রার লেনদেন পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
তথ্যসূত্র: আইন ও বিচার বিভাগ এবং সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন
হাইলাইটস:
- সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের নন্দিপাড়ার জমি ক্রোক ও ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ।
- ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ।
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে আদেশ কার্যকর।