এস এম আলী (১৯২৮-১৯৯৩) আজ বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং সরকারি সূত্রের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক-প্রকাশক সৈয়দ মোহাম্মদ আলীর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী।
৪৪ বছরের কর্মজীবনে এস এম আলী একজন শিক্ষানবিশ প্রতিবেদক থেকে দেশের অন্যতম সেরা সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
কলকাতা, ঢাকা ও লন্ডনে শিক্ষিত তিনি ছিলেন সেই অল্প কয়েকজন এশীয় সাংবাদিকদের মধ্যে একজন, যারা আঞ্চলিক সাংবাদিকতায় নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছিলেন। আলী ১৯২৮ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আসাম সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা প্রয়াত সৈয়দ মোস্তফা আলীর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাগ্নে ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন আলী পাকিস্তান অবজারভার-এ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি পাকিস্তান, হংকং, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন প্রকাশনায় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ‘দ্য হংকং স্ট্যান্ডার্ড’ এবং ‘দ্য ব্যাংকক পোস্ট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
১৯৭০-এর দশকে তিনি ‘প্রেস ফাউন্ডেশন অফ এশিয়া’-তে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ইউনেস্কোর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক যোগাযোগ উপদেষ্টা হন। আলী ১৯৮৯ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং ‘বাংলাদেশ অবজারভার’-এর সম্পাদক হিসেবে অল্প সময়ের জন্য কাজ করেন। তিনি ১৯৯১ সালে ‘অফিশিয়াল সোর্সেস’ চালু করেন এবং এটিকে একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। তিনি তৎকালীন ইংরেজি ভাষার সাংবাদিকতায় এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ৬৫ বছর বয়সে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
হাইলাইটস:
- এস এম আলী (১৯২৮-১৯৯৩) আজ বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং সরকারি সূত্রের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক-প্রকাশক সৈয়দ মোহাম্মদ আলীর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী।
- ৪৪ বছরের কর্মজীবনে এস এম আলী একজন শিক্ষানবিশ প্রতিবেদক থেকে দেশের অন্যতম সেরা সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- কলকাতা, ঢাকা ও লন্ডনে শিক্ষিত তিনি ছিলেন সেই অল্প কয়েকজন এশীয় সাংবাদিকদের মধ্যে একজন, যারা আঞ্চলিক সাংবাদিকতায় নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছিলেন।
তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর