Home » আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক হেলথ স্ক্রিনিং চালুর নির্দেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক হেলথ স্ক্রিনিং চালুর নির্দেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক হেলথ স্ক্রিনিং চালুর নির্দেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের সংক্রামক ব্যাধি ও শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে দেশের প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে স্বয়ংক্রিয় বায়োমেট্রিক হেলথ স্ক্রিনিং ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ভবনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ পর্যালোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আসন্ন শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের স্বাস্থ্যগত নজরদারি নিশ্চিত করাই এই ব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনালে স্থাপিত আধুনিক ইনফ্রারেড থার্মাল স্ক্যানারগুলোর মাধ্যমে প্রত্যেক যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিমাপ করা হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল কিউআর কোডভিত্তিক ‘ই-হেলথ ডিক্লারেশন’ ফরম পূরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যার মাধ্যমে যাত্রীরা বিমানে ওঠার আগেই তাদের শারীরিক অবস্থা ও বিগত ১৪ দিনের ভ্রমণের ইতিহাস কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে জমা দিতে পারবেন। কোনো যাত্রীর শরীরে উচ্চ তাপমাত্রা বা সংক্রমণের উপসর্গ শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে ইমিগ্রেশন ডেস্কে সতর্কবার্তা পৌঁছাবে।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মকর্তারা জানান, স্ক্রিনিংয়ে সন্দেহভাজন কোনো যাত্রীর লক্ষণ ধরা পড়লে তাকে সরাসরি বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডেডিকেটেড অ্যাম্বুলেন্স ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল। এছাড়া নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের সুবিধার্থে তাৎক্ষণিকভাবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য নমুনা পাঠানো হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই আগাম প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলোতে কঠোর নজরদারি ও আধুনিক স্ক্রিনিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে দেশব্যাপী যে কোনো মহামারীর ঝুঁকি প্রাথমিক পর্যায়েই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরগুলোর স্ক্রিনিং কার্যক্রম তদারকি করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

হাইলাইটস:

  • আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য স্বয়ংক্রিয় থার্মাল ও ডিজিটাল হেলথ ডিক্লারেশন চালু。
  • সংক্রামক রোগের লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের তাৎক্ষণিক আইসোলেশন ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ব্যবস্থা。
  • হযরত শাহজালাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম মোতায়েন。

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন