অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সীমান্ত পারাপারের পণ্য পরিবহনে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং টেকসই পরিবেশের সুরক্ষায় ‘গ্রিন সাপ্লাই চেইন’ বা পরিবেশবান্ধব সরবরাহ শৃঙ্খল বাস্তবায়নের দাবি বিশ্বজুড়ে ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধান প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো এখন পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে কেবল গুণগত মান ও মূল্য নয়, বরং উৎপাদনের শুরু থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত মোট কার্বন নিঃসরণের হিসাবকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করছে। এর ফলে ঐতিহ্যবাহী জ্বালানিচালিত কার্গো বিমান ও জাহাজের পরিবর্তে নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার চাপ বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যেসব রপ্তানিকারক দেশ ও প্রতিষ্ঠান তাদের লজিস্টিকস কাঠামো পরিবেশবান্ধব করতে ব্যর্থ হবে, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের উচ্চ কার্বন করের মুখোমুখি হতে হবে। এর প্রভাব সরাসরি উন্নয়নশীল দেশগুলোর রপ্তানি আয়ের ওপর পড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রিন পোর্ট ও জ্বালানিসাশ্রয়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণে সহজ শর্তের জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের রূপান্তর সবার জন্য ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।
হাইলাইটস:
- ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে কার্বন পদচিহ্ন কমানোর কড়া শর্ত জারি।
- বৈশ্বিক সামুদ্রিক ও বিমান কার্গো পরিবহন খাতে গ্রিন লজিস্টিকসের ব্যবহার বৃদ্ধি।
- রপ্তানিমুখী উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নতুন টেকসই মানদণ্ড অনুসরণের তাগিদ।