তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক অর্জন করেছে শীর্ষ এক আন্তর্জাতিক গবেষণা দল। তাদের উদ্ভাবিত ১০০০ কিউবিট লজিক্যাল কোয়ান্টাম প্রসেসর এমন একটি জটিল পদার্থের অণু গঠনের সিমুলেশন মাত্র চার মিনিট বিশ সেকেন্ডে নিখুঁতভাবে সমাধান করেছে, যা করতে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্লাসিক্যাল সুপারকম্পিউটারের প্রায় দশ হাজার বছর সময় লাগত।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই প্রসেসরে উন্নত এরর-কারেকশন বা কোয়ান্টাম ত্রুটি সংশোধন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা এতদিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রধান বাধা ছিল। এর ফলে কোয়ান্টাম বিটগুলোর স্থায়িত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাস্তবমুখী বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটি ব্যবহারের পূর্ণ উপযোগী হয়ে উঠেছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতির ফলে নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধের অণু ডিজাইন, সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাটেরিয়াল তৈরি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি গবেষণায় কয়েক দশকের কাজ কয়েক দিনে শেষ করা সম্ভব হবে। উন্নত দেশগুলো এই প্রযুক্তির ওপর নিজেদের কৌশলগত কর্তৃত্ব ধরে রাখতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ নিশ্চিত করছে।
হাইলাইটস:
- সুপারকম্পিউটারের ১০,০০০ বছরের জটিল গণনা মাত্র ৪ মিনিটে সম্পন্ন করল কোয়ান্টাম কম্পিউটার।
- দীর্ঘদিনের প্রধান কোয়ান্টাম ত্রুটি সমস্যা সফলভাবে সমাধানের দাবি বিজ্ঞানীদের।
- নতুন ওষুধ আবিষ্কার ও উচ্চক্ষমতার উপাদান তৈরিতে সৃষ্টি হলো বৈপ্লবিক গতি।