Home » সুন্দরবনে তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

সুন্দরবনে তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
সুন্দরবনে তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের নদী ও খাঁড়িতে সামুদ্রিক ও উপকূলীয় মাছের অবাধ প্রজনন এবং বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সুরক্ষায় নির্দিষ্ট মেয়াদে সকল ধরনের মাছ ও কাঁকড়া আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বন অধিদপ্তর ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে এই কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

বন বিভাগের খুলনা ও বাগেরহাট সার্কেল সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের ৪৫০টিরও বেশি ছোট-বড় নদী ও খাঁড়ি রয়েছে, যা বিভিন্ন বিরল প্রজাতির মাছের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে কোনো জেলে বা সাধারণ নৌযানকে বনের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবেবিধা দেওয়া হবে না। বনরক্ষীদের নিয়মিত টহলের পাশাপাশি আধুনিক জিপিএস ট্র্যাকিং ও দ্রুতগতির স্পিডবোটের মাধ্যমে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে জলপথগুলো সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালীন সুন্দরবন তীরবর্তী নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিশেষ ভিজিএফের চাল ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তাদের জীবনযাত্রায় সংকট তৈরি না হয়। সুন্দরবনের বিষ দিয়ে মাছ শিকারের অপতৎপরতা চিরতরে বন্ধে বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশবিদরা বলেছেন, নিয়মিত প্রজনন সুরক্ষার ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হবে এবং নদীগুলোতে মাছের প্রাকৃতিক মজুত বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

হাইলাইটস:

  • সুন্দরবনের নদী ও খাঁড়িতে অবাধ প্রজনন সুরক্ষায় মাছ ধরায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা।
  • বন অপরাধ ও বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে বন বিভাগের সার্বক্ষণিক জলটহল জোরদার।
  • নিষেধাজ্ঞার সময়ে উপকূলীয় প্রান্তিক জেলে পরিবারগুলোকে খাদ্য ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন