নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অর্থবহ ও টেকসই করতে এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোকে শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে অংশীজনদের সাথে ধারাবাহিক সংলাপ অব্যাহত রেখেছে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বৈঠকে সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে।
সংস্কার কমিশনের প্রতিনিধিরা জানান, বিগত নির্বাচনগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কার্যকর করার লক্ষ্যে আইনি কাঠামোর সংস্কারের প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় কালোটাকার প্রভাব বন্ধ, পেশিশক্তির ব্যবহার প্রতিরোধ এবং আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নতুন বিধান যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা নির্বাচনকালীন প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। মাঠপর্যায়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়। সেই সাথে সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক দলসহ সকল স্তরের অংশীজনদের সুপারিশ সমন্বয় করে দ্রুতই একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হাইলাইটস:
- অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে অংশীজনদের সাথে সংস্কার কমিশনের সংলাপ।
- নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে নতুন আইনি কাঠামোর সুপারিশ।
- কালোটাকার প্রভাব রোধ এবং নির্বাচনকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের ওপর জোর।