নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেবল সনদভিত্তিক তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে বাস্তবমুখী গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনে গতিশীলতা আনতে বিশেষ জাতীয় গবেষণা ফান্ড গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তরুণ গবেষকদের জন্য বার্ষিক গবেষণা অনুদানের পরিমাণ দ্বিগুণ করার সুপারিশ পাঠানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।
ইউজিসির উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, দেশের অর্থনীতিকে জ্ঞানভিত্তিক রূপান্তরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাগারগুলোর আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, স্থানীয় সমস্যা সমাধান যেমন—বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য শক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলোতে যেসব গবেষণা প্রস্তাবনা আসবে, সেগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এককালীন ও দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অনুদান দেওয়া হবে। এছাড়া গবেষণার জন্য আমদানি করা বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পিছিয়ে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ গবেষণার ঘাটতি। এই বিশেষ তহবিল স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত গবেষকদের মাঝে বণ্টন করা গেলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বেরিয়ে আসবে।
হাইলাইটস:
- চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও দেশীয় শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণায় অগ্রাধিকার বরাদ্দ।
- বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশনায় বিশেষ অনুদান।
- শিল্প প্রতিষ্ঠান ও একাডেমিয়ার মধ্যে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিনিময়ে বিশেষ সেল গঠন।