নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি সুদৃঢ় রাখতে এবং চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতার আন্তর্জাতিক মান অক্ষুণ্ণ রাখতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর ওপর কড়া তদারকি ও পরিদর্শন জোরদার করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রয়োজনীয় শিক্ষক, আধুনিক ল্যাবরেটরি এবং পর্যাপ্ত রোগীহীন কোনো প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন নবায়ন না করার বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএমডিসি সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু বেসরকারি মেডিকেল কলেজে নিজস্ব হাসপাতাল ভবনে রোগীর সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর অভিযোগ রয়েছে। নতুন নীতিমালায় প্রতি ৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ন্যূনতম ২৫০ শয্যার সক্রিয় হাসপাতাল এবং পূর্ণকালীন অধ্যাপক ও কনসালট্যান্ট থাকার বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শর্তপূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর আসন সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে নিবন্ধন বাতিলের সুপারিশ প্রস্তুত করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, দুর্বল অবকাঠামোর চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি নিয়ে বের হওয়া চিকিৎসকরা মানুষের জীবন রক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিতের মাধ্যমেই কেবল দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
হাইলাইটস:
- পর্যাপ্ত বেড ও রোগীহীন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের লাইসেন্স পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত।
- এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় শতভাগ মেধা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ।
- শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও ব্যবহারিক শিক্ষার মান যাচাইয়ে আকস্মিক পরিদর্শন দল।