নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের অমূল্য জীববৈচিত্র্য, রয়েল বেঙ্গল টাইগার এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় আধুনিক জিপিএস ট্র্যাকিং এবং থার্মাল ড্রোন সজ্জিত ‘স্মার্ট প্যাট্রোলিং’ ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে বন বিভাগ। সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বনবিভাগের সবকটি রেঞ্জে বনরক্ষীদের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দল দিনরাত সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বনের গহীনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা এবং মায়াবী হরিণ শিকারের মতো পরিবেশবিধ্বংসী অপরাধ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে বনের গুরুত্বপূর্ণ খাড়ি ও নদীপথগুলোতে বিশেষ তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও স্যাটেলাইট ড্রোনের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি চোরাশিকারিদের পাতা ফাঁদ ও বিষাক্ত জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে টহল দল।
পরিবেশবিদরা জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বৈরী আবহাওয়া ও ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে সুরক্ষা দেয় সুন্দরবন। বন সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের আধুনিক অস্ত্র ও গতিশীল জলযান সরবরাহ করায় বনের নিরাপত্তা আগের চেয়ে বহুলাংশে সুদৃঢ় হয়েছে।
হাইলাইটস:
- সুন্দরবনের গহীনে হরিণ ও বাঘ চোরাশিকারিদের অপতৎপরতা বন্ধে বিশেষ তল্লাশি।
- জিপিএস ট্র্যাকিং ও স্যাটেলাইট ড্রোনের মাধ্যমে বনাঞ্চলের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা মনিটরিং।
- জলদস্যু ও অবৈধ বিষ দিয়ে মাছ শিকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান।