নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: দেশের প্রধান প্রধান সমুদ্রবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি এবং জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড সময় কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডগুলোতে কনটেইনারের দীর্ঘমেয়াদি জট নিরসন এবং অপ্রয়োজনীয় ডেমারেজ চার্জ এড়াতে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম কার্যকর করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, পূর্বে পণ্য খালাসের জন্য বিভিন্ন টেবিলে কাগুজে নথি অনুমোদনের জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় স্ক্যানিং ও নথিপত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আপলোডের মাধ্যমে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন হচ্ছে। এর ফলে বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা গড়ে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদেশি জাহাজগুলোর জেটিতে অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
রপ্তানিকারক ও শিপিং এজেন্টরা জানিয়েছেন, সমুদ্রবন্দরে ডিজিটাল অটোমেশনের ফলে দেশের বহির্বাণিজ্যে সময় ও পরিচালন ব্যয় অনেক কমে আসবে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের বন্দরের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাইলাইটস:
- বন্দরে পণ্য লোড-আনলোডের সময় কমিয়ে বাণিজ্য সহজীকরণের বড় পদক্ষেপ।
- কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল ক্লিয়ারেন্স কার্যকর।
- আমদানিকারকদের অযৌক্তিক বিলম্ব ফি কমাতে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন।