Home » মন্ত্রণালয়গুলোর সেবাদান ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন পরিবীক্ষণ কাঠামো অনুমোদন

মন্ত্রণালয়গুলোর সেবাদান ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন পরিবীক্ষণ কাঠামো অনুমোদন

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
মন্ত্রণালয়গুলোর সেবাদান ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন পরিবীক্ষণ কাঠামো অনুমোদন

সরকারি দফতর ও মন্ত্রণালয়গুলোর সেবাদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে সার্বিক কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন একটি সমন্বিত পরিবীক্ষণ কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে এই রূপরেখা অনুমোদন পায়। নতুন এই কাঠামোর আওতায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর ফলে নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ঘাটতি দূর করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় অহেতুক ফাইল আটকে রাখা এবং নাগরিক ভোগান্তির বিরুদ্ধে কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু থাকছে। যেসব দফতর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হবে, তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সেবা সহজীকরণের অংশ হিসেবে সব ধরনের সরকারি ফরম ও আবেদন প্রক্রিয়া শতভাগ অনলাইনে রূপান্তরের কাজ দ্রুত শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক সংস্কার বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে এমন নিয়মিত পরিবীক্ষণ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি ছিল। তবে কেবল কাগজে-কলমে চুক্তি সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টির ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা হলে এই কাঠামোর প্রকৃত সুফল মিলবে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সেবাদানের মান উন্নত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিতে হবে।

এদিকে আগামী নভেম্বর মাস থেকেই সব মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ অধিদপ্তরে নতুন এই মূল্যায়ন ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর শুরু হবে। প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ গ্রেডিং ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার।

হাইলাইটস:

  • মন্ত্রণালয়গুলোর সেবাদানে গতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নতুন প্রশাসনিক পরিবীক্ষণ রূপরেখা অনুমোদন।
  • এপিএ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সরাসরি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত।
  • নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা রোধ ও অনলাইনে রূপান্তরে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন