Article Information Author, সারাহ কিথ-লুকাস Role, প্রধান আবহাওয়া উপস্থাপক Published ১২ মিনিট আগে পড়ার সময়: ৫ মিনিট গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এটি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
ভারত, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ খরা, বন্যা ও তাপপ্রবাহের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে, যা এই ঘটনাটি কীভাবে চরম আবহাওয়াকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে সে সম্পর্কে পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলছে, রেকর্ড ভাঙা এল নিনো আরও শক্তিশালী হবে এবং অন্তত ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে।
প্রসঙ্গত, এল নিনো বলতে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উষ্ণতা বৃদ্ধি, অর্থাৎ স্বাভাবিকের তুলনায় সাগরের পানির বেশি তাপমাত্রাকে বোঝায়।
সাধারণত নিরক্ষরেখা বরাবর নিম্নস্তরের ভূপৃষ্ঠসংলগ্ন বাতাস পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয় (যাকে 'ইস্টারলি উইন্ডস' বলা হয়)। কিন্তু এল নিনোর সময় এসব বাতাস দুর্বল হয়ে পড়ে। অথবা কিছু ক্ষেত্রে বিপরীত দিকে, অর্থাৎ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ('ওয়েস্টারলি উইন্ডস') প্রবাহিত হতে শুরু করে।
এটি বিশ্বজুড়ে স্বাভাবিক আবহাওয়ার ধরণে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
এল নিনো অনিয়মিত বিরতিতে ফিরে আসে। এর ব্যবধান দুই বছর থেকে এক দশক পর্যন্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এল নিনোর একটি ধারা এরই মধ্যে শুরু হয়েছে, যা বিশ্বের বহু অঞ্চলে চরম আবহাওয়া বয়ে আনতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) বলেছে, ২০২৬ সালের বাকি সময়জুড়ে এল নিনোর পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অনেক পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, এটি রেকর্ডকৃত ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে। মানবসৃষ্ট উষ্ণায়নের কয়েক দশকের প্রভাবের ওপর এটি যুক্ত হওয়ায়, ২০২৭ সাল রেকর্ডের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে পারে। এর ফলে আবহাওয়া, খাদ্য সরবরাহ এবং অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।
বিশ্বজুড়ে এর প্রভাব ইতোমধ্যেই যেভাবে অনুভূত হচ্ছে, তার পাঁচটি দিক এখানে তুলে ধরা হলো।
ইন্দোনেশিয়ায়, যেখানে এল নিনোর বছরগুলো আবহাওয়া সাধারণত বেশি শুষ্ক ও উষ্ণ থাকে, সেখানে ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের মৌসুম চলছে।
এ বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আট লাখ ৯৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে।
এটি গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, যখন এল নিনোর কোনো প্রভাব ছিল না।
তথ্যসূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও আবহাওয়া অধিদপ্তর
হাইলাইটস:
- Article Information Author, সারাহ কিথ-লুকাস Role, প্রধান আবহাওয়া উপস্থাপক Published ১২ মিনিট আগে পড়ার সময়: ৫ মিনিট গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এটি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
- ভারত, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ খরা, বন্যা ও তাপপ্রবাহের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে, যা এই ঘটনাটি কীভাবে চরম আবহাওয়াকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে সে সম্পর্কে পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলছে, রেকর্ড ভাঙা এল নিনো আরও শক্তিশালী হবে এবং অন্তত ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে।