আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া তারেক রহমানের চার দিনব্যাপী সরকারি জাপান সফরকে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সুসম্পর্ক থেকে বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক অর্জনে রূপান্তরের সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে জাপানি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ ও বাণিজ্য অংশীদারিত্বকে এই সফরের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৩৮টি জাপানি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য পরিচালনা করছে। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) এক সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে কার্যরত ৫৬ দশমিক ৯ শতাংশ জাপানি কোম্পানি আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং জ্বালানি নিশ্চয়তা ছাড়া এই আগ্রহ বাস্তবে রূপ দেওয়া কঠিন।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, এই সফরে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এসইজেড) জাপানি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, সেমিকন্ডাক্টর ও হালকা প্রকৌশল শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি জাপানের স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার (এসএসডব্লিউ) কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের দক্ষ প্রকৌশলী ও আইটি পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের একটি কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি।
তথ্যসূত্র: পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা
হাইলাইটস:
- ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে তারেক রহমানের চার দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জাপান সফর।
- বাংলাদেশে কার্যরত ৫৬.৯ শতাংশ জাপানি প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহী বলে জেট্রোর সমীক্ষায় প্রকাশ।
- হালকা প্রকৌশল, সেমিকন্ডাক্টর এবং দক্ষ আইটি পেশাজীবীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে সুনির্দিষ্ট চুক্তির তাগিদ।