Home » বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের নীরব মহামারি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সতর্কতা ও খাদ্যতালিকায় নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের নীরব মহামারি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সতর্কতা ও খাদ্যতালিকায় নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের নীরব মহামারি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সতর্কতা ও খাদ্যতালিকায় নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

বিশ্বজুড়ে মানুষের স্থূলতা ও অস্বাভাবিক শারীরিক ওজন বৃদ্ধি এখন কেবল বাহ্যিক গঠনের বিষয় নয়, বরং এটি হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অকালমৃত্যুর মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রধান কারণে রূপ নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রতি সাতজনে একজন মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত এবং দ্রুত নগরায়ণের ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও এই প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

বাংলাদেশেও কায়িক পরিশ্রমহীন জীবনযাপন, অতিরিক্ত তেল ও চিনিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত শারীরিক চর্চার অভাবে নারী ও শিশুদের মাঝে স্থূলতার হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (এনসিডিসি) শাখার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শৈশবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সচেতন না হলে তরুণ বয়সেই জটিল দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বাড়ে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, প্রক্রিয়াজাত কোমল পানীয় ও ফাস্টফুড বর্জন করে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল ও পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মুক্ত বাতাসে হাঁটা ও কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া সচল রাখাই এই নীরব মহামারি থেকে মুক্তির প্রধান উপায়।

তথ্যসূত্র: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

হাইলাইটস:

  • বিশ্বজুড়ে প্রতি সাতজনে একজন মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত, ডব্লিউএইচও-র বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সতর্কতা।
  • প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও শারীরিক পরিশ্রমহীন জীবনযাপনের কারণে বাড়ছে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি।
  • প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা ও সুষম পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার তাগিদ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন