অসময়ে সবজি চাষ করে বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গ্রীষ্মকালীন ‘আর্লি-৪৫’ শিম চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন দিনাজপুরের প্রান্তিক কৃষকরা। আজ দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে এই কৃষি সাফল্যের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের কৃষিবিদরা জানান, প্রচলিত শীতকালীন শিমের তুলনায় এই আর্লি-৪৫ জাতটি গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালেও অনায়াসে ফলন দিতে সক্ষম। মাত্র ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই এই গাছে প্রচুর ফুল ও ফল আসে। বাজারে যখন অন্যান্য সবজির সরবরাহ কম থাকে, তখন আগাম শিম তুলে কৃষকরা প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ পাইকারি দর পাচ্ছেন।
খানসামা ও বীরগঞ্জ উপজেলার সফল কৃষকরা জানান, কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে কম খরচে দ্বিগুণ লাভ ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে। এই জাতের শিম খেতে সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় হাটবাজার ছাড়াও রাজধানী ঢাকায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফসলের বহুমুখীকরণ এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এই উন্নত জাতের শিমের আবাদ পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
হাইলাইটস:
- অসময়ে উচ্চমূল্যের সবজি বাজারে এনে কৃষকদের ব্যাপক আর্থিক সাফল্য।
- সুস্বাদু ও রোগবালাই প্রতিরোধী উন্নত জাতের শিম চাষে বেড়েছে জমির ফলন।
- জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তায় মডেল ছড়িয়ে পড়ছে উত্তরাঞ্চলে।