নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিবারণ এবং সার্বিক দৃষ্টি ত্রুটি সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির প্রত্যয়ে আজ দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬’। এ উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেমিনারে জানান, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও চশমা ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অন্ধত্ব ও দৃষ্টিহীনতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত রেটিনা পরীক্ষা এবং বয়স্কদের ছানি অপারেশনের সুযোগ তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সরকারি কমিউনিটি ভিশন সেন্টারগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, স্মার্টফোন ও ডিজিটাল স্ক্রিনে অতিরিক্ত সময় কাটানোর ফলে শিশুদের মাঝে ‘মায়োপিয়া’ বা ক্ষীণদৃষ্টির সমস্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। শিশুদের চোখের সুরক্ষায় আউটডোর খেলাধুলা বাড়ানো এবং নিয়মিত বিরতিতে চোখকে বিশ্রাম দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও সাধারণ রোগীদের মাঝে প্রাথমিক ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে।
হাইলাইটস:
- প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চোখের প্রাথমিক চিকিৎসায় গুরুত্বারোপ।
- জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও জেলা হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা।
- ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহারে শিশুদের মায়োপিয়া ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা।