নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতি থেকে নিম্ন আয়ের ও শ্রমজীবী মানুষকে সুরক্ষা দিতে দেশব্যাপী খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রির (ওএমএস) কার্যক্রমের পরিধি দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বিভাগীয় শহর, জেলা সদর ও শিল্পাঞ্চলগুলোতে অতিরিক্ত ওএমএস ট্রাক ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। খাদ্য ভবনে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা নির্ধারিত ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি অব্যাহত থাকবে। সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে ডিজিটাল ওএমএস কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরণ করা হবে, যাতে কোনো অসাধু ডিলার পণ্য খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করতে না পারে। এছাড়া খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শন জোরদার করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, খোলা বাজারে কম দামে খাদ্যপণ্য সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে সাধারণ বাজারেও চাল ও আটার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে। খাদ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, ফলে সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি হবে না।
হাইলাইটস:
- সারাদেশের জেলা ও পৌর এলাকায় ওএমএস ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত।
- প্রতি কর্মদিবসে কার্ডধারী ও সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল বিতরণ।
- খাদ্যগুদামগুলোতে চাল ও গমের মজুত সন্তোষজনক রয়েছে বলে নিশ্চিত করল মন্ত্রণালয়।