Home » পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ১ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন

পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ১ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন

কর্তৃক Towkir Hasan
০ মন্তব্য
পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ১ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন

রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অনেক জায়গায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লোডশেডিং চলেছে। আমরা দেখেছি, একটি ফিডার বন্ধ হওয়ার পর পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে ২-৩ ঘণ্টা সময় নেয়। অনেক এলাকায় ৪ ঘণ্টাও লেগে যায়। আমার এলাকাতেও এমনটা ঘটেছে। পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও এর সমাধানে আমাদের এক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, প্রথম সপ্তাহের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকার বিদ্যুৎ রেশনিংয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সরকার মঙ্গলবার নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সময়সূচিসহ দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরোপ করে। এছাড়াও, সমস্ত ডিজেল-চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যেগুলো জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১,০০০-১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগামী সপ্তাহে লোডশেডিংয়ের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে এবং সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম সপ্তাহের ফলাফল পাওয়ার পর তারা আরেকটি লোডশেডিংয়ের সময়সূচি নির্ধারণ করবেন। “বিশেষ পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকরা এই অবস্থা মেনে নিচ্ছেন। আমি মনে করি, আমরা ১০ দিনের মধ্যে সবকিছু গুছিয়ে ফেলতে পারব এবং এরপর পরিস্থিতি আরও ভালো হবে,” নাসরুল বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি আশা করছেন যে কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিকল্প শক্তি (জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া অন্য শক্তির উৎস) ব্যবহার করা হবে এবং এ কারণেই তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে সাময়িক বলছেন।

তিনি বলেন, “আগামী মৌসুমে” বিদ্যুতের চাহিদা ধীরে ধীরে কমবে এবং তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হবেন। তবে নাসরুল বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলতে থাকলে তেল ও গ্যাস সংকট আরও বাড়বে। তিনি আরও বলেন, মানুষ যদি বিচক্ষণতার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। তিনি শহর ও গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদার পার্থক্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন। “দেখা যায় যে তিনটি গ্রাম সম্মিলিতভাবে প্রতিদিন ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, কিন্তু শুধু ঢাকার একটি এলাকাতেই প্রায় ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সমস্যা।”

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

হাইলাইটস:

  • রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অনেক জায়গায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লোডশেডিং চলেছে।
  • তিনি বলেন, প্রথম সপ্তাহের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকার বিদ্যুৎ রেশনিংয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করবে।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

একটি মন্তব্য করুন