নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বৈধ পথে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারাবাহিক প্রবাহ এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের এই সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ সাহায্য ও সহজ শর্তের বাজেট সহায়তার অর্থ ছাড় হওয়ায় রিজার্ভের গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বিলাসী ও অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন হ্রাস পেয়েছে, যা সামগ্রিক ব্যালেন্স অব পেমেন্টকে শক্তিশালী করেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী গণনা করলেও বর্তমানে দেশের নিট রিজার্ভ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংক খাতের নীতি-নির্ধারকরা জানিয়েছেন, বিদ্যমান রিজার্ভ দিয়ে দেশের প্রায় ছয় মাসের স্বাভাবিক আমদানি ব্যয় মেটানো অনায়াসেই সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং ব্যাংকগুলোতে ডলার সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে বাজারে যে স্বাভাবিক ভারসাম্য ফিরে এসেছে, তা বৈদেশিক বাণিজ্যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
হাইলাইটস:
- মোট গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পৌঁছেছে ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে।
- রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবাহ ও রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ীও স্থিতি সন্তোষজনক।