মানবজাতির শারীরিক সক্ষমতার সীমা নিয়ে দীর্ঘদিনের সব তাত্ত্বিক ধারণাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ম্যারাথনে অবিশ্বাস্য এক ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ট্রায়ালে কেনিয়ার বিশ্বখ্যাত দূরপাল্লার দৌড়বিদ ৪২ দশমিক ১৯৫ কিলোমিটারের পূর্ণ ম্যারাথন দূরত্ব মাত্র এক ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডে অতিক্রম করে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেছেন।
এর আগে অনানুষ্ঠানিক ব্যক্তিগত ট্র্যাক পরীক্ষায় এই সীমা ছোঁয়া হলেও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্সের সম্পূর্ণ অনুমোদিত রুট ও ওপেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই প্রথম কোনো মানুষ আনুষ্ঠানিকভাবে দুই ঘণ্টার কম সময়ে ম্যারাথন শেষ করলেন। দৌড়বিদকে সহায়তা করেছে উন্নত বায়োমেকানিক্সে তৈরি কার্বন-প্লেটেড জুতো এবং নিখুঁত ড্রাফটিং কৌশল।
ফিনিশিং লাইনে পৌঁছানোর সাথে সাথে উপস্থিত দর্শক ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদরা আনন্দে ফেটে পড়েন। স্পোর্টস সায়েন্টিস্টরা বলছেন, এই অর্জন প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ, পুষ্টি এবং মানব মনের অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মানুষ যে কোনো শারীরিক সীমাকে অতিক্রম করতে সক্ষম।
হাইলাইটস:
- মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দুই ঘণ্টার নিচে ম্যারাথন শেষ।
- ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডে ৪২ কিমি দৌড়ে অ্যাথলেটিক্সে অবিশ্বাস্য বিশ্বরেকর্ড।
- মানব শারীরিক সক্ষমতার এক অনন্য ঐতিহাসিক শিখর স্পর্শ করলেন অ্যাথলেট।